হ্যালো-কে বাংলায় কী বলা হয় জানেন কি?
দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত একটি শব্দ হলো ‘হ্যালো’, যা বর্তমানে ফোন রিসিভ করার সময় বিশ্বজনীনভাবে ব্যবহৃত হয়। যদিও এটি একটি ইংরেজি শব্দ, তবে এর আক্ষরিক অর্থ বা উৎপত্তি অনেকের কাছেই অজানা।বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বহুল প্রচলিত শব্দটির আবিষ্কার নিয়ে একটি জনপ্রিয় তত্ত্ব প্রচলিত আছে। বলা হয়ে থাকে, স্বয়ং টেলিফোন আবিষ্কারক আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল তাঁর বান্ধবী মার্গারেট হ্যালো-কে (Margaret Hallo) ভালোবেসে 'হ্যালো' বলেই ডাকতেন। কালক্রমে তাঁর প্রেমিকাকে সম্বোধন করার এই শব্দটি বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা লাভ করে।আভিধানিক দিক থেকে, 'হ্যালো' শব্দটি মূলত একটি জার্মান শব্দ—'হাল্লা' থেকে উদ্ভূত হয়েছে। অতীতে জার্মানরা নৌকার মাঝিকে ডাকার জন্য এই শব্দটি ব্যবহার করতেন। আবার 'হ্যালো' শব্দটির ফরাসি শব্দ 'হোলা'-র সঙ্গেও যোগসূত্র রয়েছে, যার অর্থ হলো 'কেমন আছো'। সময়ের সাথে সাথে এর উচ্চারণ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান 'হ্যালো' শব্দটি প্রচলিত হয়েছেবাংলায় 'হ্যালো' শব্দটির আভিধানিক অর্থ খুঁজতে গেলে এটিকে সাধারণত অভিবাদন বা দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য ব্যবহৃত 'কি হে' বা 'শুনুন' হিসেবে ব্যবহার করা হয়। মূলত কাউকে সম্বোধন করে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করাই এই শব্দের উদ্দেশ্য। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই শব্দটি কেবল ফোন রিসিভ করার ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ না থেকে দৈনন্দিন কথোপকথনে অভিবাদন জানানোর অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে।।

Post a Comment